শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩

১ম বর্ষ ৩য় সংখ্যা - প্রচ্ছদ কাহিনী - কৃষি আইন অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ - অনুপম পাল

 


কৃষি আইনঅতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ

অনুপম পাল

 

কোভিড প্যানডেমিক পরিস্থিতিতে যখন সংসদ প্রায় অচল তখন ২০২০ সালের ২৭সেপ্টেম্বর কৃষি সংক্রান্ত আইন সংসদের রাজ্যসভায় ধ্বনিভোটে পাস করানো হয়। সংসদে এই বিলটি নিয়ে আলোচনা হয়নি তাইবলা হচ্ছে এটা অগনতান্ত্রিক। সরকার পক্ষের লোকজন বলছেন - এক দেশ এক কর এক দেশ এক বাজার হলেই তো ভালো। এই কৃষি বিল নিয়ে গোটা ভারতে কৃষক সংগঠন, সাধারণ অকৃষক মানুষও এটার বিরুদ্ধে সোচ্চার। ডিসেম্বর-জানুয়ারীর শীত উপেক্ষা করে লক্ষ কৃষক দিল্লীতে হাজির হয়ে ওই আইন প্রত্যাহারের জন্য প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, পরিবর্তন নয়। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনের বেশী কৃষক মারা গিয়েছেন। অন্নদাতাদের উপর জলকামান নানা দমনমূলক ব্যবস্থাও চালানো হয়েছে। তাঁদের দেশদ্রোহী বিচ্ছিন্নতাকামী  বলা হচ্ছে। সমগ্র পৃথিবীতে এটাই সবচেয়ে বড় কৃষক প্রতিবাদ সভা। পাঞ্জাব, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ এঅঞ্চলের কৃষকরা এই দাবিটা নিয়ে সোচ্চার কেন? আসলে পাঞ্জাবে সবুজ বিপ্লবের সময় থেকেই যে কিষান মান্ডি গুলি সক্রিয় এবং কিষাণ মান্ডিগুলির জন্যই কৃষকরা এতদিন বেচাকেনা ঠিকঠাক করতে পেরেছেন।

 

নতুন আইনগুলি শুনতে ভালো হলেও, তা আসলে মিছরির ছুরি। ভারতবর্ষের কৃষকরা বহুকালই থেকেই নিজেদের নায্য পাওনা বঞ্চিত। মুষ্টিমেয় ব্যাতিক্রমী কৃষক আছেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বেশীর ভাগটাই জুড়ে আছে কৃষক বিদ্রোহে। বহু কৃষক বিদ্রোহ হয়েছে। সেই ট্রাডিশান সমানে চলছে। এই বিল পাস করিয়ে আইন করার পিছনের ইতিহাসটা একটু দেখে নেওয়া যাক।

 

আপনারা জানেন ভারত সরকার বিশ্ব বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছেন নব্বইয়ের দশকে। তখন কংগ্রেস সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল। ওই চুক্তির এগ্রিমেন্ট অন এগ্রিকালচার-( ) তে বলা আছে যে সরকারকে কৃষি বাণিজ্য বিপননের উপর থেকে হাত তুলে নিতে হবে। কৃষক নিজের সুবিধা মত বিক্রি করবে এবং গোটা বিশ্বে  বিক্রি করার সুযোগ দিতে হবে, যেখানে খুশি বিক্রি করার সুযোগ দিতে হবে, রাজ্যে সীমানা ছাড়িয়ে পণ্য বিক্রি হবে। বাস্তবে ভারতবর্ষের কৃষকরা কী এই অবস্থায় আছেন? ওই চুক্তির পর রাষ্ট্রের কল্যাণকর দিকগুলি সংকুচিত হয়েছে। ওই চুক্তিতে আরো বলা আছে জমির উপর অন্তত ২০% কৃষকের নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। তার মানে জমি ছেড়ে কৃষককে শহরমুখী হতে হবে, কারখানায় কাজ করতে হবে। ওই চুক্তিতে এও বলা আছে যারা উন্নত দেশ কৃষিতে প্রচুর ভর্তুকি দিতে পারবেন  কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের  উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভর্তুকির পরিমাণ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে। অর্থাৎ যেখানে কৃষকরা ফসল ফলিয়ে নিজেদের জীবন ধারণ করেন তাঁদের উপর থেকে ভর্তুকি কমিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ সব দিয়ে কৃষির সম্পূর্ণ বাজারমুখী বিশ্বায়ন। এই সরকার এই চুক্তি রূপায়ণের জন্য একটু বেশিই তাড়াহুড়ো করছেন।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডা ভারত সরকারের ন্যুনতম এমএসপি উপরেও খড়গহস্ত - এম এস পিতে ফসল কিনলে সেটা বাণিজ্যের পক্ষে ঠিক হবে না (অর্থাৎ তাদের বাণিজ্যের পক্ষে ঠিক হবে না) এটাই নাকিবিশ্ব কৃষি সংস্কার বিশ্ব বাণিজ্যে চুক্তি অনুযায়ী তৃতীয় বিশ্বে কৃষককে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদান করা অনৈতিক কাজ, অথচ উন্নত দেশগুলির ভর্তুকি দেওয়ার কোন সীমা নেই। গড়ে একজন মার্কিন খামার মালিক বছরে ভারতীয় টাকার হিসেবে ৪৫ লক্ষ টাকা পান আর একজন ভারতীয় কৃষক পায় প্রায় ২০ হাজার টাকা। ২০০৭ সালের এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে উন্নত দেশগুলির ভর্তুকি তুলে নেওয়া হলে কানাডা, ইয়োরোপ আমেরিকার রপ্তানী ৪০% কমে যাবে। ভারতে যদি এতটাই ভর্তুকি দেওয়া হয় তাহলে ঋনের দায়ে আত্মহত্যাকারী কৃষকের সংখ্যা উদ্বেগজনক কেন?

 

এখন দেখা যাক এই আইনগুলিতে কী আছে?

কৃষি পণ্য বাণিজ্য আইন (প্রচার সুবিধাকার্য) ২০২০ - এগ্রিকালচারাল প্রডিউস মার্কেটিং কমিটির আওতা ভুক্ত কৃষক বাজারের (মান্ডি) বাইরে রাজ্যের বাইরেও পণ্য বিক্রি করা যাবে। রাজ্য সরকার এর থেকে আর কোন লেভি আদায় করতে পারবেন না। কমিশন এজেন্টরা কোন দালালি পাবেন না। তাহলে একদিকে রাজ্যের আয় কমল। মাথায় রাখতে হবে পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু ২০১৭ সালে সরকারি নিয়ন্ত্রন মুক্ত করে মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে ওই আইনের সংশোধন করা হয়েছে। কিন্ত ৭০ এর দশকে মান্ডি ব্যবস্থা করা হয়েছিল সার্বিক ভাবে কৃষকদের স্বার্থ দেখার জন্য, বড় ক্রেতাদের একচেটিয়া ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য। নিলামের মাধ্যমে ফসল বিক্রি হত, নূন্যতম সহায়ক মূল্যও পেতেন।

এমএসপি নির্ধারণ করা হয় সাধারণতকৃষকের শ্রম এর দাম সহ উৎপাদন খরচ এবং তার সঙ্গে৫০% যোগ করে। কিন্তু এটা সবসময় মেনে চলা হয় না।তবে প্রত্যেক বছর কিছু না কিছু বাড়ানো হয়। (তবে সেটা চাকুরিজীবিদের মাইনে বাড়ার অনুপাতে কিছুই নয়) কিছু রাজ্যে আবার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের ওপরেও আরো বেশি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান। যেমন কেরালায় ধানের দাম ২৭৫০ টাকা কুইন্টাল। ধানের কিন্তু বিভিন্ন গ্রেড আছে যেমন কালো চাল, সুগন্ধি চাল, লাল চাল, সরু চাল, বাসমতি - সেই সব চালের কোন এম এস পি নেই। আবার বাস্তবে বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে এক কুইন্টাল ধানের থেকে থেকে১০ কেজি পরিমাণ কিষান মান্ডিতে বাদ দেওয়া (ভিজে ধান, চিটে ধান ইত্যাদি অজুহাতে) তাহলে কৃষকরা কিন্তু এক কুইন্টাল ধানের দিয়ে ৯০ কেজি ধানের দামই পাচ্ছেন। পাঞ্জাবে এই ধরনের ঘটনা বিরল। আবার ধান জমি থেকে মান্ডি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ধকলও আছে। বাড়ি থেকেই বহু কৃষক ১২০০ টাকায় বা তার কম টাকায় ধান বেচে দিচ্ছেন। ক্যাশ টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। মান্ডির ক্ষেত্রে বিক্রিত অর্থ কৃষকের ব্যাংকে পাঠানে হয়। দু এক দিন থেকে এক সপ্তাহ সময় লাগে। পশ্চিমবঙ্গে কালাভাত, বাদশাভোগ, তুলাইপাঞ্জি, কালোনুনিয়া গোবিন্দভোগের কুইন্টাল ৩০০০টাকার বেশি যাচ্ছে। দুধের সরের দামও কুইন্টাল ২০০০ টাকা। এটা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সাথে সম্পর্কিত নয় এবং বাইরের বাজারেই  বিক্রি হচ্ছে কোন কিষাণ মান্ডি থেকেও বিক্রি হচ্ছে না।

 

নূন্যতম সহায়ক মূল্যের পরিকাঠামোর বদলের যে প্রয়োজন ছিল তার বদলে এখন এর প্রয়োজনটাকেই প্রশ্নচিহ্নের মধ্য ফেলে দেওয়া হল। এখন নিলাম ছাড়াই বড় দালাল, বড় পুঁজির আড়তদাররা সহজেই পণ্য কিনে নেবেন নূন্যতম সহায়ক মূল্যের বাধ্যবাধকতা ছাড়াই। সরকারি কোন নিয়ন্ত্রন থাকছে না - সবটাই বেসরকারি হাতে যাচ্ছে। অবশ্য বেশীর ভাগ পাঞ্জাব হরিয়ানা পশ্চিম উত্তর প্রদেশেই মান্ডির সুযোগ সুবিধা আছে, ভারতের অন্য রাজ্যে মান্ডি থেকে বিক্রি খুবই কম হয়। সরকারি তথ্যে জানানো হয়েছে মাত্র % কৃষক ওই মান্ডিতে বিক্রির সুযোগ পায়। কিন্ত সুযোগ যাতে বেশী পায় সেই ব্যবস্থা হল না। লক্ষ্য করে দেখুন, কৃষক যখন রাসায়নিক সার, বীজ,কীটনাশক একটা নির্দিষ্ট দামে কিনছেন অথচ তারপর তিনি তাঁর নির্ধারিত দামে কৃষিপণ্য বিক্রি করতে পারছেন না। সেই কারণে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করে দেন যাতে কৃষকরা একটা রক্ষাকবচ পান। এখন এই রক্ষাকবচের প্রয়োজনটাই আর থাকছে না যার ফলে কৃষকরা আতঙ্কিত। এখন কোন পয়সাওয়ালা বেসরকারি কোম্পানি বা ফড়ে বাজারের সব পণ্য কিনে মজুত করতে পারেন, কোন সীমা নেই। সময়মত তিনি বাজারে বেশী দামে ছাড়তে পারেন। ফলে আমজনতার ট্যাঁকের পয়সায় টান পড়বে। সরকারি এফ সি আই এর গোডাউনের কী হবে, রেশন ব্যবস্থার কী হবেসরকারতো কিনছেন না, মজুতও করছেন না।

 

কৃষকদের (ক্ষমতায়ন সুরক্ষা) চুক্তির মূল্য নিশ্চিত করণ খামার পরিষেবাদি আইন ২০২০ - বিভিন্ন ফসলে মৌখিক বা আলগা চুক্তিতে এখন আলু ভাজার আলু, পোলট্রি চাষ হচ্ছে। এখানে চুক্তি চাষকে আইনি মান্যতা দেওয়া হল। ক্রেতার সঙ্গে যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে লেখাপড়া করে ফসলের দামের চুক্তি হচ্ছে। বলা হচ্ছে কৃষকের না পোষালে তাঁকে বিক্রি নাও করতে পারেন। কোম্পানীরা পয়সার লোভ দেখিয়ে রপ্তানি যোগ্য ফসলেরও চাষ করাতে পারে। আশংকা, খাদ্য ফসলের চাষ কমে গিয়ে খাদ্যাভাব দেখা না দেয় যেমন হয়েছে আফ্রিকার দেশগুলোর। এই চুক্তি রুপায়িত ঠিক না হলে, দাম নির্ধারনের বিষয়টি কি ভাবে হবে, ফসল বিমা, কৃষকের আইনি সুরক্ষা কিহবেবর্গাদার ভাগচাষীর কি অবস্থান হবে সব নিয়ে সন্দেহ থাকছে। চুক্তিচাষের আইনি সমস্যার নিষ্পতি করতে বলা হয়েছে জেলা মহকুমার শাসককে। কৃষকরা আদালতে যেতে পারবেন না। কৃষকদের আমলার উপর নির্ভর করতে হবে। এখানেও সন্দেহ, ঘুষ প্রতিপত্তির চাপে আমলাতন্ত্র কৃষকের বিপক্ষে যাবে না তো?

 

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন (সংশোধন) ২০২০ - ১৯৫৫ সালের এই আইনের ফলে চাল গম , চিনি , ডাল, তেল ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, কেউ ইচ্ছা করলেই মজুত করতে পারবেন না, মজুত করার একটা নির্দিষ্ট পরিমান ছিল। এখন ২০টির বেশী অত্যাবশ্যকীয় পন্যকে ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে - সুতরাং ইচ্ছা করলেই বড় বেসরকারি ব্যবসায়ীরা খাবার মজুত করতে পারবেন। খোলা বাজারে খাবার ছাড়া এবং দাম তিনি বা তাঁরাই নিয়ন্ত্রন করবেন। কৃষি পন্যের দাম অন্ততবাজার দামের দ্বিগুন হলে, যুদ্ধ জরুরী অবস্থা দুর্ভিক্ষের সময় সরকার হস্তক্ষেপ করবে। অন্য সময় বেসরকারি দালালরা নিজেদের মত করে কারবার করবে। এই কর্পোরেটমুখি বাজার ব্যবস্থায় আমাদের আশংকা থেকেই যাচ্ছে। জনগনের প্রতি সরকারের কল্যাণমূলক কাজকর্মের দিকটি আর থাকছে না। ১২ জানুয়ারী সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করে ওই তিনটি আইন আপাতত কার্যকর না করতেবলেছেন।

 

বাজার ব্যবস্থায় সংশোধন দরকার তবে তাতে সরকারি নজরদারি তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ ব্যবসামুখী কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত করা দরকার কিনা সে নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক এখন। বাজার ব্যবস্থা ভালো করতে হবে এবং সংখ্যা আয়তন বাড়াতে হবে নিয়ে কারো দ্বিমত নেই। কৃষকদের জন্য দরকার এম এস পি সহ নুন্যতম নিশ্চিত আয় প্রকল্প, শস্য বীমা, রাসায়নিক কৃষি উপকরনের ব্যবহার কমিয়ে জৈব আঞ্চলিক উপকরনের উপর জোর দিতে হবে, দেশজ উচ্চফলনশীল বীজ ব্যবহার, সমবায় কৃষক উৎপাদনগোষ্ঠি গঠন করা। দরকার উৎপাদনের ব্যয় কমানো পরিবেশ সুরক্ষা, বিষ মুক্ত খাবার জনস্বাস্থ্যের উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। রপ্তানিমুখী চুক্তি চাষ করতে গিয়ে দেশের খাদ্য সুরক্ষা যেন বিপন্ন না হয়।আশার কথাকৃষি কল্যানে জৈব কৃষি কৃষিবীমার মত কিছু ব্যবস্থা শুরু হয়েছেকার্যকারিতার কথা এখনি বলা যাচ্ছে না। 

অনুপম পাল এখন ঝাড়গ্রামে কৃষি অধিকর্তা। দেশজ চাষ, বিশেষত দেশি ধানের সংরক্ষণ প্রচার প্রসার নিয়ে অনুপম পালের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

 

তথ্যসুত্র:

১। The Gazette of India, Bill No 33, 34 and 35, Ministry of Law and Justice, June 5, 2020.

২। কার স্বার্থে বিজেপির নতুন কৃষি আইন, ভারতের কমুউনিস্ট পার্টি, দক্ষিন ২৪ পরগণা, অক্টোবর ২০২০

৩। কৃষি বিল২০২০, প্রচার লিফলেট, বিজেপি, ২০২০

৪। Farm Laws Led to Jump in Agril. Firms, Govt Data, Hindustan Times of India, Dec 19, 2020, New Delhi.

৫। Don’t Caught up in MSP battle, India Must Move to end inequality in WTO laws, The Print, Amiya Pratap Singh and UrviTembey, 15 Dec , 2020

৬।Explainer , Why are the Agriculture Bills being opposed –The Hindu, Sept 16, 2020

৭। Farmers need assured income, even rich nations pump massive subsidy into agriculture- Agri Expert Devinder Sharma,Anju Agnihotri Chaba, The Indian Express December 30, 2020,  Jalandhar.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

উত্তরবঙ্গের হাতি আর মানুষ – সংঘাত নাকি সহাবস্থান / স্বাতী রায় / ৩য় বর্ষ ৩য় সংখ্যা

  উত্তরবঙ্গের হাতি আর   মানুষ – সংঘাত নাকি সহাবস্থান স্বাতী রায় দৃশ্যটা প্রথম দেখেছিলাম উত্তরবঙ্গ থেকে অনেক দূরে, উত্তরাখণ্ডের রাজাজী ...